Albert Einstein : আইনস্টাইন কেন এতো বুদ্ধিমতী ছিলেন, কেন তার মস্তিস্ক এবং চোখ চুরি হয়ে গিয়েছিল ? ওনার মতো কি আমরা ও হতে পারি

Albert Einstein : আমরা সকালে জানি বিশ্বে বড়ো বিজ্ঞানী ছিলেন এলবার্ট আইনস্টাইন। এলবার্ট আইনস্টাইন জার্মানির উর্টেমবার্গের উলমে 14 মার্চ, 1879 সালে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। ছয় সপ্তাহ পরে এলবার্ট আইনস্টাইন এর পরিবারের সবাই মিউনিখে চলে যান।

এলবার্ট আইনস্টাইন লুইতপোল্ড জিমনেসিয়ামে স্কুলে পড়াশোনা শুরু করেন। পরে, তারা ইতালিতে চলে যান এবং আলবার্ট সুইজারল্যান্ডের আরাউতে তার শিক্ষা চালিয়ে যান।

1896 সালে এলবার্ট আইনস্টাইন জুরিখের সুইস ফেডারেল পলিটেকনিক স্কুলে পদার্থবিদ্যা এবং গণিতের শিক্ষক হিসাবে প্রবেশ করেন। 1901 সালে, তিনি ডিপ্লোমা অর্জন করেন, তিনি সুইস নাগরিকত্ব অর্জন করেন এবং, তিনি একটি শিক্ষণ পদ খুঁজে না পাওয়ায়, তিনি সুইস পেটেন্ট অফিসে প্রযুক্তিগত সহকারী হিসাবে একটি পদ গ্রহণ করেন। 1905 সালে এলবার্ট আইনস্টাইন ডাক্তার ডিগ্রি অর্জন করেন।

আপনারা কি জানেন এলবার্ট আইনস্টাইন এর মৃত্যুর পর ওনার মস্তিস্ক ও চোখ চুরি করে নিয়ে ছিলেন প্যাথোলজি থমাস হারবে। 18 April 1995 সালে মৃত্যু হয়েছিল এলবার্ট আইনস্টাইন এর মৃত্যু হয়েছিল। কিন্তু মৃত্যুর আগে ওনার ইচ্ছে ছিল যে,উনি মারা যাওয়ার পর যেন ওনাকে নিয়ে কোনো রকম গবেষণা না হয়।

কিন্তু এলবার্ট আইনস্টাইন এর সেই ইচ্ছেটাও পুরন হলো না। কারণ -প্যাথোলজি থমাস হারবে,এলবার্ট আইনস্টাইন এর মাথা এবং চোখ চুরি করে নিয়েছিল। প্যাথোলজি থমাস হারবে তার সাথে এই দুটো জিনিস কে লাঞ্চ বক্স এ নিয়ে চুপিচুপি সেখান থেকে বেরিয়ে যান । কারণ এলবার্ট আইনস্টাইন এর মাথায় যে কি ছিল সেটা তাকে এতটাই বুদ্ধিমতি করে রাখত তা জানার জন্য আইনস্টাইন এর মাথা এবং চোখ চুরি করে নিয়েছিল।

এলবার্ট আইনস্টাইন এর মত বুদ্ধি কি আমাদের মাথায় আসতে পারে না, নাকি এটা ভগবানের দান। আমরা জানি আইনস্টাইন বুদ্ধিমতী লোক ছিলেন তাইতো তিনি আমাদের থেকে অনেক মহান মহান কাজ করে গেছেন।

ও নানারকম জ্ঞানের কথা বলে গেছেন উনার দেওয়া ফর্মুলা যদি আমরা পড়ি তাতে অনেক বই লেখা যাবে। উনি কিভাবে কাজ করতেন তা আমাদের জানা খুব দরকার তাই হয়তো থমাস হারবে আইনস্টাইনের মস্তিষ্ক চুরি করে নিয়েছিল।

আইনস্টাইনের মস্তিষ্কটাকে নিয়ে এসে তাড়াতাড়ি ওজন করে নিয়েছিল। মস্তিষ্কের ওজন ছিল 1230 gm । মস্তিষ্ককে গবেষণা করে দীর্ঘ ২০ বছর নিজের কাছে খুব যত্ন সহকারে রেখে দিয়েছিলেন। দীর্ঘ ২০ বছর আইনস্টাইনের ছেলের অনুমতি পেয়ে সেটা কে গবেষণা করেছেন। আপনারা কি জানেন মস্তিষ্কটিকে 200 ভাগে ভাগ করা হয়েছিল, যাতে সেটা আলাদা আলাদা ভাবে অনেক রকম পরীক্ষা করা যায়।

তার কয়েকদিন পরে গবেষণা রিপোর্ট বের হয়, এই রিপোর্ট শুনে আপনারা অবাক হয়ে যাবেন। অবাক কথাটি হলো আইনস্টাইনের মাথায় গ্রিয়াল সেলস(Glial Cells) সাধারণ মানুষের চেয়েও অনেক বেশি ছিল যেটা নিউরনকে প্রটেক্ট করে।অক্সিজেন ও নিউট্রন বেশি ছিল আইনস্টাইনের মাথায়। সাধারণ মানুষের তুলনায় অক্সিজেন ও নিউট্রন বেশি থাকায় আইনস্টাইনের মাথায় সেন্সরগুলো ভীষন শক্তিশালী ছিল।

DR Thomas Harvey
DR Thomas Harvey

আর একটা অবাক করা কথা হলো আইনস্টাইনের মাথায় সেলভেন ফিশার ছিল না। এই ফিশারের কারণে মানুষের মাথায় নেগেটিভ চিন্তাভাবনা আসে। কিন্তু আইনস্টাইনের মাথায় কোন নেগেটিভ চিন্তা ভাবনা ছিল না। আইনস্টাইনের মাথায় সবকিছু পজিটিভ ভাবে কাজ করতো, আরও একটা অবাক করা কথা মানুষের মাথায় দুটো হেমোস্ফিয়ার থাকে লেফট এন্ড রাইট।

এদের মাঝে করপাস ক্যালোজাম থাকে। আইনস্টাইনের মাথায় এই করপাস ক্যালোজাম অনেক শক্তিমান ছিল যার জন্য আইনস্টাইন অনেক বুদ্ধিমান ছিল। ওনার মাথা সবসময় দ্রুত কাজ করত। আমাদের মাথার বুদ্ধি ও আইনস্টাইনের মতো হতে পারে যদি আমরা দিনে দুবার এক ঘণ্টা করে মেডিটেশন করি।

এই মেডিটেশনের ফলে আমাদের মাথা শান্ত থাকে, এই মেডিটেশন আমাদের সঠিক ভাবনা চিন্তা করতে সাহায্য করে এবং আমাদের মধ্যে থাকা করপাস ক্যালোজাম কে শক্তিমান করে তোলে এবং আমাদের মাথায় নেগেটিভ ভাবনাচিন্তা আসতে দেয় না।

আরো আমাদের একটি কাজ করতে হবে সেটি হলো ব্যায়াম। আমাদের ব্যায়াম করতে হবে ব্যায়াম করলে আমাদের শরীর এবং মাথা সবকিছুই ভালো থাকে এবং আমাদের স্মৃতি শক্তি বৃদ্ধি পাবে। আমরাও আইনস্টাইনের মতো বুদ্ধিমতী হতে পারব।

HomeClick Here
Google NewsFollow
Telegram GroupJoin Us

Hello

Leave a comment